দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবলের উন্নয়নকে সামনে রেখে আয়োজিত হতে যাচ্ছে আসিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। যদিও এই প্রতিযোগিতা আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর জন্য, তবুও বিশেষ আমন্ত্রণে অংশ নিচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। তবে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ এবারও আমন্ত্রণ না পাওয়ায় ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্ট। এতে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভারত ও পাকিস্তান অংশ নেবে। শুরুতে চীনের খেলার কথা থাকলেও তারা সরে দাঁড়ানোয় সেই জায়গায় সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের এক নীতিনির্ধারক জানিয়েছেন, এই প্রতিযোগিতার জন্য বাংলাদেশ কোনো আমন্ত্রণই পায়নি। বর্তমান ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ১৮১তম এবং পাকিস্তান ১৯৮তম অবস্থানে রয়েছে। অর্থাৎ র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশ আমন্ত্রণ না পাওয়ায় অনেকেই বিষয়টিকে কেবল পারফরম্যান্সের নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের দিক থেকেও দেখছেন।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিজেদের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করেছে। অতীতে নানা সংকটে থাকলেও দেশটির ফুটবল প্রশাসনে পরিবর্তনের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের সক্রিয়তা বেড়েছে, যার ইতিবাচক প্রভাব বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আমন্ত্রণ পাওয়ার ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ায় দেশের ফুটবল প্রশাসনের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও সাংগঠনিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।