রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট জনজীবনে বড় ধরনের ভোগান্তির সৃষ্টি করেছে। গ্যাসের স্বল্পচাপের কারণে একের পর

গ্যাস সংকটে বন্ধ হচ্ছে সিএনজি স্টেশন, বাসায়ও জ্বলছে না চুলা

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৯ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৩৭ সময় , আপডেট সময় : ২৯ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৩৭ সময়

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট জনজীবনে বড় ধরনের ভোগান্তির সৃষ্টি করেছে। গ্যাসের স্বল্পচাপের কারণে একের পর এক সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাসাবাড়িতে দীর্ঘ সময় গ্যাস না থাকায় রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে, আর শিল্পকারখানায় কমে গেছে উৎপাদন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, অনেক সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। যেসব স্টেশনে সীমিত পরিসরে সরবরাহ চলছে, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাচ্ছেন না চালকরা।


গ্যাস সংকটে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্যাক্সিক্যাব ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকেরা। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও গ্যাস না পাওয়ায় অনেকের দৈনিক আয় কমে গেছে। অনেক চালক নির্ধারিত ট্রিপ বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছেন, ফলে যাত্রী ও চালক—উভয়ই দুর্ভোগে পড়ছেন। অন্যদিকে, রাজধানীর বহু এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গ্যাসের চাপ না থাকায় বাসাবাড়িতে রান্না করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক চুলা, ইনডাকশন কুকার কিংবা এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর নির্ভর করছে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ও বেড়ে গেছে।


শুধু আবাসিক নয়, শিল্পখাতেও গ্যাস সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় অনেক কারখানায় উৎপাদন কমিয়ে আনতে হয়েছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে এবং সময়মতো পণ্য সরবরাহ নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এদিকে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি জানিয়েছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে মহেশখালীর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনাল থেকে পুনরায় গ্যাসীকৃত গ্যাসের সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে গেছে। ফলে তাদের আওতাধীন সব শ্রেণির গ্রাহক তীব্র গ্যাসের স্বল্পচাপের মুখে পড়েছেন।


এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের কারণে গ্যাস খালাস ব্যাহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার মেরামত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে আরও ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯