দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়েছেন হাইকোর্ট। এ ঘটনায় তিন

২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনে নির্দেশ হাইকোর্টের

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৮ জুলাই ২০২৬, বিকাল ৫:৩০ সময় , আপডেট সময় : ২৮ জুলাই ২০২৬, বিকাল ৫:৩০ সময়

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়েছেন হাইকোর্ট। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।


এর আগে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে আদালতে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির অভিযোগ যাচাই করাই তার উদ্দেশ্য। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের আবেদনও করা হবে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেশের বাজারে থাকা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার তথ্য উঠে আসে। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পরিচালিত ওই গবেষণায় ভোক্তা জরিপ, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত বিশ্লেষণ করা হয়।


গবেষণায় আধুনিক পরীক্ষাপদ্ধতি ব্যবহার করে টুথপেস্টের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা রয়েছে। পরীক্ষা করা ৩৪টি নমুনার মধ্যে মাত্র ৮টিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, দেশে উৎপাদিত টুথপেস্টের পাশাপাশি আমদানি করা বিভিন্ন দেশের টুথপেস্টেও মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে। বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য বাজারজাত করা কয়েকটি টুথপেস্টেও এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।


আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, পরীক্ষায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেলেও কোনো টুথপেস্টের মোড়ক বা লেবেলে এ ধরনের উপাদান ব্যবহারের তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে ভোক্তারা কী ধরনের উপাদান ব্যবহার করছেন, তা জানার সুযোগ পাচ্ছেন না। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষেও কার্যকর নজরদারি পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞ কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯