দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং হাসপাতালের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতার কারণে জনস্বাস্থ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায়

অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারে প্রটোকল মানা হচ্ছে না, আইসিইউতে বাড়ছে মৃত্যু

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৭ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১০:৪ সময় , আপডেট সময় : ২৭ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১০:৪ সময়

দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং হাসপাতালের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতার কারণে জনস্বাস্থ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে অনেক ব্যাকটেরিয়া ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অনেক রোগী হাসপাতালে থাকাকালেই ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছেন। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় সংক্রমণমুক্ত থাকলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায়, বিশেষ করে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে গুরুতর রোগীদের মৃত্যুঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারের কারণে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে। ফলে প্রয়োজনের সময় অনেক ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক আর কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। চিকিৎসকদের ভাষ্য, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ না করাও সংক্রমণ বৃদ্ধির একটি বড় কারণ। দর্শনার্থীদের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ এবং পরিচ্ছন্নতার ঘাটতির কারণে রোগীরা নতুন জীবাণুর সংস্পর্শে আসছেন, যা তাদের জন্য অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি করছে।


জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ভিত্তিতে চিকিৎসা নিশ্চিত করা উচিত। পাশাপাশি নিবন্ধিত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। ওষুধের দোকানে প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্ট নিশ্চিত করা এবং আইন প্রয়োগ জোরদার করারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানিয়েছে সরকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি, কঠোর তদারকি এবং হাসপাতালের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা গেলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ এবং সংক্রমণজনিত মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯