বাংলাদেশে এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্য। নতুন এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা

স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই ৩৮.৬ শতাংশ বাংলাদেশির

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২২ জুলাই ২০২৬, দুপুর ২:১ সময় , আপডেট সময় : ২২ জুলাই ২০২৬, দুপুর ২:১ সময়

বাংলাদেশে এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্য। নতুন এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে দেশের প্রায় ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ, অর্থাৎ প্রায় ৬ কোটি ৭৮ লাখ নাগরিক প্রয়োজনীয় পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার কেনার সামর্থ্য হারিয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়ায় এ হার পাকিস্তানের পরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। জাতিসংঘের একাধিক সংস্থার যৌথভাবে প্রকাশিত ‘বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি পরিস্থিতি’ বিষয়ক সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যকর খাদ্য বলতে এমন একটি খাদ্যতালিকাকে বোঝানো হয়েছে, যা দৈনিক প্রয়োজনীয় ক্যালরি ও পুষ্টি নিশ্চিত করে এবং এতে শর্করা, প্রাণিজ আমিষ, ডালজাতীয় খাদ্য, বাদাম, শাকসবজি, ফলমূল এবং স্বাস্থ্যকর তেল-চর্বি অন্তর্ভুক্ত থাকে।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ২০২৫ সালে প্রায় ২৬৯ কোটি মানুষের স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেনার সামর্থ্য ছিল না। অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি সংকট আফ্রিকায়, এরপর এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য মাছ, মাংস, দুধ, দুগ্ধজাত পণ্য এবং ফলমূলের মতো পুষ্টিকর খাদ্য এখনও অনেকটাই ব্যয়বহুল। আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব স্থানীয় বাজারেও দ্রুত পড়ে, তবে দাম কমলেও তার সুফল সাধারণ ভোক্তাদের কাছে পৌঁছাতে সময় লাগে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণের দৈনিক গড় ব্যয় গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে একজন মানুষের প্রতিদিনের পুষ্টিকর খাদ্যের জন্য আগের তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ায় এই ব্যয়ের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। তবে ইতিবাচক দিকও রয়েছে। কয়েক বছর আগের তুলনায় স্বাস্থ্যকর খাদ্য কিনতে অক্ষম মানুষের হার কমেছে। ২০১৭ সালে যেখানে প্রায় ৬৩ শতাংশ মানুষের পুষ্টিকর খাদ্য কেনার সামর্থ্য ছিল না, ২০২৫ সালে তা কমে ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে এসেছে। প্রতিবেদনে এর কারণ হিসেবে মানুষের আয় বৃদ্ধি এবং ক্রয়ক্ষমতার কিছুটা উন্নতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।


প্রতিবেদনে খাদ্যকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে উৎপাদন ব্যয় কমানো, সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করা, পরিবহন ও সংরক্ষণ অবকাঠামো শক্তিশালী করা, আধুনিক বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা এবং খাদ্যের অপচয় কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯