কুমিল্লার বরুড়ায় পপি আক্তার (১৫) নামের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ফারুক হোসেন শামীম ও কাসেম হোসেন নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার পর হত্যার রহস্য বের হয়। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকালে কুমিল্লার আদালতে স্বীকরোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরুড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী।
পুলিশ জানায়, বরুড়া উপজেলার সোনাইমুড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী গত ১৩ ডিসেম্বর স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে দুপুরে বাড়ির পাশে ছাগল চড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হন। দুই দিন পর সোনাইমুড়ী গ্রামের একটি খালের পানি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা আলী হোসেন থানায় অভিযোগ করার পুলিশ ক্লুলেস হত্যাকান্ডের তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে সন্দেহবাজন ফারুক হোসেন শামীম (২৭) ও কাসেম হোসেন (৪০) নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার পরই হত্যাকাণ্ডের জট খুলে যায়। গ্রেপ্তার শামীম বরুড়া উপজেলার মহিষ পুকুরিয়া গ্রামের মিজানুর রহমানের পুত্র এবং কাসেম একই গ্রামের মনু মিয়ার পুত্র।
তাদের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পুলিশ আরও জানায়, ওই স্কুল ছাত্রীকে একা পেয়ে কাশেমের সহায়তায় শামীম কিশোরীকে মাটিতে ফেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন সে চিৎকার করলে পাশে থাকা একটি বাঁশের টুকরো দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে তারা পালিয়ে যায়।
রাতে বরুড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে গ্রেপ্তারকৃতরা ওই স্কুল ছাত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। উভয় ঘাতক খুনের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে। পরে তাদের সন্ধ্যায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।