ফিফা বিশ্বকাপে ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার নিয়ে আবারও শুরু হয়েছে বিতর্ক। অনেকের মতে, মাঠের সেরা পারফরমার নয়, বরং সবচেয়ে জনপ্রিয় ফুটবলারই এখন বেশি পাচ্ছেন এই স্বীকৃতি। বেলজিয়ামের বিপক্ষে স্পেনের জয়ের পর ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নেন তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। তবে পুরস্কার গ্রহণের সময় তার মুখে ছিল না স্বাভাবিক উচ্ছ্বাস। একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের মালিক টিলমানের মধ্যেও। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, অনেক সময় খেলোয়াড়রাও মনে করেন, প্রকৃত সেরা পারফরমার অন্য কেউ ছিলেন।
ফিফা ২০০২ বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার চালু করে। শুরুতে এই সম্মান নির্ধারণ করতেন অভিজ্ঞ ফুটবল বিশ্লেষকদের একটি বিশেষ প্যানেল। কিন্তু ২০১০ বিশ্বকাপ থেকে ভোটের দায়িত্ব দেওয়া হয় সমর্থকদের হাতে। বর্তমানে ফিফার ওয়েবসাইটে অনলাইন ভোটের মাধ্যমে এই পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়। এই পরিবর্তনের পর থেকেই সমালোচনা বেড়েছে। অনেকের অভিযোগ, এখন পারফরম্যান্সের চেয়ে খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা ও পরিচিতিই বেশি প্রভাব ফেলছে। ফলে অনেক সময় প্রকৃত সেরা খেলোয়াড় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
চলমান বিশ্বকাপেও এমন কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ম্যাচসেরা ঘোষণা এবং কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচে লিওনেল মেসির পুরস্কার পাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। সমর্থকদের একাংশের দাবি, ওই ম্যাচগুলোতে অন্য কয়েকজন খেলোয়াড়ের অবদান ছিল আরও বেশি। ঘানার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে জুড বেলিংহামের ম্যাচসেরা হওয়াও বিতর্কের জন্ম দেয়। অনেকের মতে, ঘানার রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সই ছিল ম্যাচের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
তবে বিতর্ক থাকলেও জনপ্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন তারকারাই। চলমান বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি চারবার ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন লিওনেল মেসি। তিনবার করে এই সম্মান পেয়েছেন জুড বেলিংহাম, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং আর্লিং হলান্ড। আর বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক ১৫ বার ম্যাচসেরা নির্বাচিত হওয়ার রেক