দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলে একটি জাতির ভবিষ্যৎও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, একটি জাতিকে দুর্বল করে দিতে সবসময় পারমাণবিক অস্ত্রের প্রয়োজন হয় না; শিক্ষাব্যবস্থার অবক্ষয়ই একটি দেশের অগ্রগতিকে থামিয়ে দিতে পারে। গাজীপুরের একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, গত দেড় দশকে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা পরিকল্পিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর মতে, এর প্রভাবের কারণে শিক্ষা খাত আগের তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে।
তিনি জানান, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন ব্যবস্থায় কারিগরি, মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার অভিন্ন বিষয়গুলোর পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। পরীক্ষায় অনিয়মের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, বরিশালে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলের উদ্দেশ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হবে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নতুন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো হয়।