বেলজিয়ামের তারকা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার চোটই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখল। দ্বিতীয়ার্ধে তিনি মাঠ ছাড়ার পর বদলি গোলরক্ষক সেনে লামেন্সের একটি ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে স্পেন। এই জয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও জায়গা করে নেয় স্প্যানিশরা। ম্যাচের ৭১তম মিনিটে দূরপাল্লার একটি কিক নেওয়ার সময় ঊরুর সামনের পেশিতে অস্বস্তি অনুভব করেন কোর্তোয়া। ঝুঁকি এড়াতে কোচ রুডি গার্সিয়া তাকে তুলে নিয়ে তরুণ গোলরক্ষক সেনে লামেন্সকে মাঠে নামান। যদিও কোর্তোয়া আরও কিছুক্ষণ খেলতে আগ্রহী ছিলেন, তবুও কোচ সতর্কতাকেই প্রাধান্য দেন।
এরপর ৮৬তম মিনিটে আসে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। স্পেনের নেওয়া একটি নিচু শট লামেন্স ঠিকমতো ধরতে না পারায় বল হাত ফসকে বেরিয়ে যায়। সেই সুযোগে বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনো সহজেই বল জালে পাঠিয়ে স্পেনকে জয়ের আনন্দ এনে দেন। ম্যাচ শেষে কোর্তোয়া বলেন, গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে খেলতে তার সমস্যা হচ্ছিল না, তবে লং কিক নেওয়ার সময় ব্যথা বাড়ছিল। তাই কোচের সিদ্ধান্ত মেনে মাঠ ছাড়তে হয়েছে।
এদিকে নিজের ভুলে দলের বিদায় নিশ্চিত হওয়ায় ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তরুণ গোলরক্ষক লামেন্স। তাকে সান্ত্বনা দিয়ে কোর্তোয়া বলেন, একজন গোলরক্ষকের জীবনে এমন মুহূর্ত আসতেই পারে। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে লামেন্স ভবিষ্যতে আরও পরিণত হয়ে ফিরবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সাময়িক বিরতির ইঙ্গিত দিয়েছেন কোর্তোয়া। তিনি জানান, আগামী এক বছর বেলজিয়ামের হয়ে খেলতে চান না। এরপর ইউরো বাছাইপর্ব ও ২০২৮ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ফেরার ইচ্ছা রয়েছে তার। তবে এ বিষয়ে এখনো বেলজিয়াম ফুটবল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।