পাইলট লাইসেন্স নবায়ন ও পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার নামে এক লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার মামলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জুনিয়র লাইসেন্স পরিদর্শক এইচ. এম. রাশেদ সরকারকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় অনুযায়ী, জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে রাশেদ সরকারকে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আদালত জরিমানার এক লাখ টাকা অভিযোগকারীকে প্রদান করারও নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্সের (সিপিএল) প্রথম ধাপ ‘এয়ার ল’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন রাকিব হাসান। পরবর্তী ধাপ ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষায় অংশ নিতে ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে আবেদন করেন তিনি। তবে বেবিচকের জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর রাশেদ সরকার অনলাইন সিস্টেমে তার আবেদন বাতিল করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, পরে ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে রাকিব হাসানের কাছে মোবাইল ফোনে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন রাশেদ সরকার। পরবর্তীতে দুদকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাকিব উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের একটি রেস্টুরেন্টে ঘুষের টাকা হস্তান্তর করলে ওত পেতে থাকা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ফাঁদ টিম হাতেনাতে রাশেদ সরকারকে আটক করে।
ঘটনার দিনই দুদকের সহকারী পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক রাজধানীর সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এরপর ২০২৩ সালের ৬ মার্চ আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। বিচার চলাকালে মামলার ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ, আত্ম