ইউক্রেনে আবারও বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে হওয়া এই নতুন হামলায় রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কিয়েভেই রয়েছেন ১৪ জন। এছাড়া হামলায় অন্তত ৪৬ জন আহত হয়েছেন এবং এক ডজনের বেশি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোররাতে শুরু হওয়া হামলায় কিয়েভের পাশাপাশি আশপাশের জেলাগুলোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাজধানীর বাইরে আরও ছয়জন নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। হামলার পর উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করতে অভিযান চালায়। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রাতভর দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ৬৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৫১টি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়। রাতের বিভিন্ন সময়ে একাধিক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রাজধানী। বিমান হামলার সতর্কসংকেত জারি হওয়ার পর হাজারো মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ও আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যান।
এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট সতর্ক করেছিলেন, আন্তর্জাতিক সম্মেলনকে সামনে রেখে রাশিয়া নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই এই আক্রমণ সংঘটিত হলো, যা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও রাজধানী কিয়েভে শত শত ড্রোন ও একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছিল। ওই হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হন, যা চলতি বছরে রাজধানীতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান অনেকের ধারণার চেয়েও কাছাকাছি। তবে যুদ্ধবিরতি বা শান্তি আলোচনা কতদূর এগিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।