মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইটে চেক-ইন ও ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পরও ৭৬ জন যাত্রী শেষ মুহূর্তে বিমানে না ওঠায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে ভিসা যাচাই ও নিরাপত্তা প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার (৪ জুলাই) রাতে ঢাকা থেকে মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইটে এ ঘটনা ঘটে। নির্ধারিত সময়েই বিমানটি গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেলেও তালিকাভুক্ত অনেক যাত্রী শেষ পর্যন্ত যাত্রা করেননি।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাইটটির জন্য মোট ২৪৫ জন যাত্রীর বোর্ডিং সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ৭৬ জন যাত্রী বিমানে ওঠেননি। এর মধ্যে বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ভিসা ও পাসপোর্টের তথ্যের অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে তাদের যাত্রা স্থগিত করা হয়। সূত্রগুলোর দাবি, ওই পাঁচজনকে আটকে দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর একই ফ্লাইটের আরও ৭১ জন যাত্রী বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। ফলে তারাও আর নির্ধারিত ফ্লাইটে ভ্রমণ করেননি।
ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, ভিসা যাচাইয়ের একাধিক ধাপ পার হওয়ার পরও কীভাবে সন্দেহভাজন জাল বা অসঙ্গতিপূর্ণ ভিসাধারীরা বোর্ডিং গেট পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হলেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বিমানে না ওঠা অধিকাংশ যাত্রী পর্যটক ভিসায় মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তবে তাদের প্রকৃত ভ্রমণ উদ্দেশ্য নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বোর্ডিংয়ের সময় কয়েকজন যাত্রীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টি সামনে আসে। কিছুক্ষণ পর আরও কয়েকজন যাত্রীকে বোর্ডিং এলাকায় দেখা যায়নি। এদিকে বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও কাগজপত্র নিয়ে সন্দেহ দেখা দেওয়ায় কয়েকজন যাত্রীকে আগেই বিদেশযাত্রা থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।