বাংলাদেশ কি একদিন ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে? এই স্বপ্নকে সামনে রেখেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দেশের ফুটবলকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ চলছে। রোববার গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী একাডেমিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও নবম জাতীয় পুরুষ বেসবল চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের ফুটবলকে বিশ্বকাপের মঞ্চে তোলার লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, দেশের ফুটবলে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও সেগুলো অতিক্রম করে বিশ্ব ফুটবলে শক্ত অবস্থান গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। জাতীয় দলের বর্তমান পারফরম্যান্স নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দলের খেলোয়াড়রা ধারাবাহিকভাবে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আগামী দিনে বাংলাদেশকে উপমহাদেশের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দল হিসেবে গড়ে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
আসন্ন দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়েও আশাবাদী ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০৩ সালে সর্বশেষ এই প্রতিযোগিতার শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর আবারও সেই ট্রফি ঘরে তোলার প্রত্যাশা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান জাতীয় দলটি বেশ ভারসাম্যপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ। তাই আসন্ন আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় ভালো ফল করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে ৩০০টি ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে সাবেক ও কৃতী ক্রীড়াবিদদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই আরও ২০০টি কার্ড যুক্ত করে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করা হবে। এর আগে অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জনকারী ২৩ জন আনসার সদস্যকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।