গ্রীষ্মের শুরুতেই নজিরবিহীন তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ। অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রার কারণে মহাদেশজুড়ে জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে, এর সঙ্গে সম্পর্কিত এক হাজারের বেশি অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির প্রধান জানিয়েছেন, চলতি তাপপ্রবাহকে ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। কারণ প্রচণ্ড গরমে অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঘটনা অনেক সময় সরাসরি দৃশ্যমান না হলেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ইউরোপের অধিকাংশ ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থল এমন চরম তাপমাত্রা মোকাবিলার উপযোগী নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তাপপ্রবাহের তীব্রতায় একের পর এক দেশের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে যাচ্ছে। জার্মানি, পোল্যান্ড ও চেক প্রজাতন্ত্রে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার কাছাকাছি বা নতুন রেকর্ড গড়ে উঠেছে। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। ফ্রান্সেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত কয়েক দিনে অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। বাড়িতে মৃত্যুর ঘটনাও আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই এমন চরম আবহাওয়া ক্রমেই সাধারণ ঘটনায় পরিণত হচ্ছে। একসময় যে ধরনের তাপপ্রবাহ কয়েক দশকে একবার দেখা যেত, এখন তা প্রায় প্রতি বছরই ঘটছে। ইউরোপ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় দ্রুত উষ্ণ হয়ে উঠছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
চরম গরমের কারণে বিভিন্ন এলাকায় স্কুল বন্ধ, বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, কিছু অঞ্চলে শিগগিরই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সামগ্রিকভা