মরণোত্তর একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত লেখক আহমদ ছফার কবর স্থানান্তরের পথে আর কোনো প্রশাসনিক বাধা নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। প্রয়োজনীয় অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ায় পরিবারের সম্মতি পেলেই যেকোনো সময় কবর স্থানান্তরের কার্যক্রম শুরু করা যাবে। শনিবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কবর স্থানান্তরের জন্য জেলা প্রশাসনের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে। ফলে এখন পরিবার চাইলে নির্ধারিত স্থানে মরদেহ স্থানান্তর করা সম্ভব।
এর আগে কবর স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল লেখকের পরিবার। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আসে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। লেখকের ঘনিষ্ঠজন ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী সলিমুল্লাহ খান বলেন, দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাজটি এগোচ্ছিল না। তবে এখন সেই বাধা দূর হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, লেখকের জন্মদিন ও মৃত্যুবার্ষিকীর আগেই কবর স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন হবে।
জানা গেছে, বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের কবরের পাশে লেখকের নতুন সমাধিস্থলের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সাহিত্য ও চিন্তাজগতে তাঁর অবদানের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চলতি বছরের শুরুতে লেখকের পরিবারের পক্ষ থেকে কবর স্থানান্তরের আবেদন করা হয়। পরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সভায় বিষয়টি অনুমোদন পায় এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।