ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের সময় প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ায় ইউরোপের কয়েকটি মিত্র রাষ্ট্রের প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, অভিযানে সফল হতে তাদের বাইরের কোনো সহায়তার প্রয়োজন হয়নি। তবুও দীর্ঘদিনের অংশীদার দেশগুলোর কাছ থেকে আরও দৃশ্যমান ও সক্রিয় সমর্থন প্রত্যাশা করেছিলেন তিনি।
হোয়াইট হাউসে উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের নবনিযুক্ত মহাসচিবের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বৈঠকে তিনি মন্তব্য করেন, যুদ্ধ পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্র স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিল, তবে ইউরোপীয় দেশগুলো স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পাশে দাঁড়ালে তা ইতিবাচক বার্তা বহন করত। এ সময় তিনি কয়েকটি প্রভাবশালী ইউরোপীয় দেশের ভূমিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংকটময় সময়ে এসব রাষ্ট্র প্রত্যাশিত রাজনৈতিক ও কৌশলগত সমর্থন দিতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও তিনি কঠোর মন্তব্য করেন।
এর আগে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হয়েছিল যে, সংঘাত চলাকালে ইউরোপীয় অংশীদাররা পর্যাপ্ত সামরিক ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে পারেনি। ওয়াশিংটনের অসন্তোষ আরও বাড়ে যখন একটি ইউরোপীয় দেশ তাদের ভূখণ্ডে অবস্থিত যৌথ সামরিক স্থাপনা ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায় বলে অভিযোগ ওঠে। বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েনকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুতে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে।