খুলনার কয়রা উপজেলায় নির্মাণ শেষ হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই নতুন একটি সড়কের পিচ উঠে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

তিন দিনেই উঠে গেল নতুন সড়কের পিচ, সংস্কারকাজ বন্ধ করে দিলেন এলাকাবাসী

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৪ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:৩৬ সময় , আপডেট সময় : ২৪ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:৩৬ সময়

খুলনার কয়রা উপজেলায় নির্মাণ শেষ হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই নতুন একটি সড়কের পিচ উঠে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। ঘটনাটি ঘটে মহারাজপুর ইউনিয়নের মাদারবাড়িয়া–রোনবাগ সড়কে। প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের বিভিন্ন অংশে নতুন কার্পেটিংয়ের পরপরই ফাটল দেখা দেয় এবং কোথাও কোথাও হাতের সামান্য টানেই পিচের আস্তরণ উঠে আসে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।


স্থানীয়রা জানান, কাজ শুরুর পর থেকেই নিম্নমানের ইটের খোয়া ও মানহীন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। তিন দিন আগে দেওয়া পিচ দ্রুত নষ্ট হতে শুরু করলে নতুন করে আবার ঢালাইয়ের কাজ চলাকালে এলাকাবাসী বাধা দেন। ঘটনার সময় দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে রোলার গাড়ি থাকলেও কোনো শ্রমিক বা ঠিকাদারি কর্মী উপস্থিত ছিলেন না। স্থানীয়রা হাত দিয়ে সহজেই পিচ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে ওই সড়কের কিছু অংশের পিচ তুলে ফেলার ঘটনাও ঘটে, যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।


মহারাজপুর ইউনিয়নের এক জনপ্রতিনিধি জানান, সড়কে অত্যন্ত পাতলা স্তরে পিচ দেওয়া হয়েছে এবং ধুলাবালু ও মাটির ওপর সরাসরি ঢালাই করা হয়েছে। এতে অল্প সময়েই কার্পেটিং নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরোনো একটি কালভার্ট অপসারণ না করেই তার ওপর দিয়ে পিচ ঢালাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।


তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তাদের দাবি, কাজ নিয়ম অনুযায়ীই করা হচ্ছে এবং উপরের স্তরের কিছু অংশ উঠে যাওয়া স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। পরবর্তী ধাপে আরও কার্পেটিং দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। কয়রা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২ কোটি ৬৩ লাখ ৯৯ হাজার টাকার এই প্রকল্পে সড়ক উন্নয়ন ও একটি বক্স কালভার্ট নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নির্ধারিত সময় পার হলেও কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।


এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশলী জানান, বিটুমিন ঢালাইয়ের পর রাস্তা শক্ত হতে সময় লাগে। তবে প্রাইম কোট না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে স্থানীয়দের বাধার মুখে সড়কের নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে এবং পুরো ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯