বিশ্বকাপের শুরুতেই বড় দুশ্চিন্তায় পড়েছিল ব্রাজিল। দলের অন্যতম অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য তারকা চোটের কারণে প্রথম ম্যাচে খেলতে না পারায় সমর্থকদের মধ্যে দেখা দিয়েছিল উদ্বেগ। তবে সেই শঙ্কা এখন অনেকটাই কেটে গেছে। দীর্ঘ পুনর্বাসন শেষে আবারও অনুশীলন মাঠে ফিরেছেন ব্রাজিলের এই আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে দলের অনুশীলন ক্যাম্পে তাকে বল পায়ে দেখা গেছে। চোট পাওয়ার পর এই প্রথমবার মাঠে নেমে হালকা দৌড়, ফিটনেস অনুশীলন এবং বল নিয়ন্ত্রণের কাজ করেছেন তিনি। ফলে তার ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছে ব্রাজিল শিবির।
গত মে মাসে ক্লাব ফুটবলে খেলতে গিয়ে ডান পায়ের কাফে দ্বিতীয় মাত্রার পেশির টান লাগে এই তারকা ফুটবলারের। এরপর থেকেই চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। যদিও তাকে বিশ্বকাপ দলে রাখা হয়েছিল, তবে প্রথম ম্যাচে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চায়নি কোচিং স্টাফ। বর্তমানে তিনি ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করলেও এখনো দলের পূর্ণাঙ্গ কৌশলগত সেশনে যোগ দেননি। চিকিৎসক দল তার শারীরিক অবস্থার ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। ধাপে ধাপে তাকে ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, যাতে তাড়াহুড়ো করে মাঠে নামানোর ফলে নতুন কোনো সমস্যা সৃষ্টি না হয়।
গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের সামনে এখনো দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ রয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে শেষ ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে তাকে দেখা যেতে পারে। তবে দলের মূল লক্ষ্য নকআউট পর্বের আগে তাকে শতভাগ ফিট করে তোলা। তার অনুশীলনে ফেরার খবরে নতুন উদ্দীপনা পেয়েছেন ব্রাজিলের সমর্থকরা। কারণ, তার অভিজ্ঞতা, আক্রমণভাগে নেতৃত্ব এবং সৃজনশীল ফুটবল বড় ম্যাচগুলোতে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
প্রথম ম্যাচে ড্র করার পর পরবর্তী ম্যাচটি ব্রাজিলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে চিকিৎসক দলের পরামর্শ মেনে আসন্ন ম্যাচে তাকে মাঠে নামানোর কোনো তাড়াহুড়ো করতে রাজি নয় দলীয় ব্যবস্থাপনা। তাই পরবর্তী ম্যাচে মাঠে নামার সম্ভাবনা খুবই কম। সবকিছু ঠিক থাকলে বেঞ্চে থেকেই সতীর্থদের উৎসাহ জোগাতে দেখা যাবে এই তারকাকে।