পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশুর

দেশীয় পশুতেই কোরবানি সম্পন্ন, কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার পশু: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৪ জুন ২০২৬, দুপুর ৩:২১ সময় , আপডেট সময় : ৪ জুন ২০২৬, দুপুর ৩:২১ সময়

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই এ বছর কোরবানির শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। দৈনিক ইত্তেফাকের সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বছর কোরবানিযোগ্য পশুর মোট চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। এর বিপরীতে দেশে কোরবানির জন্য প্রস্তুত পশুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। কোরবানি শেষে দেশে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। তিনি জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী কোরবানি হওয়া পশুর মধ্যে গরু ও মহিষ ছিল ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮টি, ছাগল ও ভেড়া ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩টি এবং অন্যান্য পশু ছিল ১ হাজার ২৭টি। বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে। সেখানে কোরবানি হয়েছে ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি পশু। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিভাগ, যেখানে কোরবানি হয়েছে ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৯টি পশু।


এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি, রংপুর বিভাগে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৪টি, খুলনা বিভাগে ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি, বরিশাল বিভাগে ৪ লাখ ১৬০টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮১৮টি এবং সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩২১টি পশু কোরবানি হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এ বছর কোরবানির পশুর সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি। গত বছর দেশে মোট ৯১ লাখ ৩৬ হাজার পশু কোরবানি হয়েছিল।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের নীতিগত সহায়তা, খামারিদের পরিশ্রম এবং উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের ফলে প্রাণিসম্পদ খাত এখন আরও শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল অবস্থানে পৌঁছেছে। গ্রামীণ অর্থনীতি সমৃদ্ধ করা এবং প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকার আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও খামারিবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়ন অব্যাহত রেখেছে। সংবাদ ব্রিফিংয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯