পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার ঘটনায় চার বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ দূতাবাসের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাবে কুয়েতের আকাশসীমা একাধিকবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সর্বশেষ ঘটনায় বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি চার বাংলাদেশিও আহত হন। হামলায় একজনের প্রাণহানির খবরও পাওয়া গেছে। দূতাবাস জানিয়েছে, আহত বাংলাদেশিদের সার্বিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়মিত নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তাজনিত কারণে কুয়েত সরকার বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ড্রোন বা রকেট হামলা এবং তা প্রতিহত করার দৃশ্যের ছবি কিংবা ভিডিও ধারণ ও প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্থানীয় আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের কোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ না করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে সাম্প্রতিক হতাহতের ঘটনায় দেশটির কেন্দ্রীয় রক্তভান্ডারে রক্তের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রক্তদানে সক্ষম বাংলাদেশি প্রবাসীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস। একই সঙ্গে অন্যদেরও মানবিক এই উদ্যোগে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার অনুরোধ করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কুয়েতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন, নিরাপদ স্থানে অবস্থান এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দূতাবাসের মতে, এসব নির্দেশনা মেনে চললে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।