রাজধানীর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এক নির্বাহী প্রকৌশলীকে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনায় প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক মামলা, গ্রেপ্তার ও চাকরিচ্যুতির অভিজ্ঞতা থাকা এই কর্মকর্তাকে নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক আদেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কার্যক্রম, বিশেষ করে বাজারের দোকান বরাদ্দ ও পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে দায়িত্বে বহাল রাখা সমীচীন নয় বলে কর্তৃপক্ষ মনে করেছে।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক অপসারণকালীন সময় তিনি সচিব দপ্তরে সংযুক্ত থাকবেন এবং কোনো প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন না। নগর ভবনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিন্নমত দেখা গেছে। একাংশের মতে, অভিযোগের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে অপর একটি পক্ষ মনে করছে, এটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ প্রভাব বিস্তার ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বের ফল হতে পারে।
সহকর্মীদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর কর্মজীবন দীর্ঘ সংগ্রাম, রাজনৈতিক চাপ ও মামলার অভিজ্ঞতায় পরিপূর্ণ। তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে মোট ২৬টি মামলা হয়েছিল। এসব মামলার কারণে তাকে কারাবরণও করতে হয়েছে। পাশাপাশি তার পরিবারের একাধিক সদস্যও মামলার মুখোমুখি হন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ওঠা নতুন অভিযোগের তদন্ত শেষ হলে বিষয়টির প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।