পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৮১৩টি মামলার বিপরীতে ১৬ লাখ ৬১ হাজার ২৩০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৬টি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং পরিবহন আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৫৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৭৫৮টি অভিযান চালানো হয়।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। সড়কে অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া ওভারটেকিং এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ, মোবাইল কোর্ট এবং বিশেষ তদারকি দল কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছুটি শেষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। এ পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও যান চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
রাজধানীর চারটি প্রধান বাস টার্মিনালসহ দেশের প্রতিটি জেলার বাস টার্মিনালে বিশেষ নজরদারি দল দায়িত্ব পালন করছে। এসব দলে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পরিবহন খাতের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। এছাড়া চালকদের সচেতন করতে গুরুত্বপূর্ণ বাস টার্মিনাল ও সড়কে মাইকিং করা হচ্ছে। নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা, ট্রাফিক আইন অনুসরণ এবং যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে চালকদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধেও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঈদ-পরবর্তী সময়ে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে অভিযান ও তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।