ইরানে সাম্প্রতিক সংঘাত চলাকালে একটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু

ইরানের কাঁধে বহনযোগ্য অস্ত্রেই ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমান

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময় , আপডেট সময় : ১ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময়

ইরানে সাম্প্রতিক সংঘাত চলাকালে একটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রাথমিক মূল্যায়নে ধারণা করা হচ্ছে, বিমানটি সম্ভবত চীনের তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের আকাশে বিধ্বস্ত হওয়া যুদ্ধবিমানটি ‘ম্যানপ্যাড’ ধরনের একটি উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি নিয়ে পেন্টাগনের উচ্চপর্যায়ে তদন্ত চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।


মার্কিন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার আশঙ্কা, চলমান সংঘাতের সময় ইরান অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা পেয়ে থাকতে পারে। এর মধ্যে উন্নত রাডার ব্যবস্থা এবং বিমান শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মতো সরঞ্জামের কথাও আলোচনায় এসেছে। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শক্তিশালী যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত। এমন একটি বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় মার্কিন সামরিক মহলে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কীভাবে বিমানটি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে।


ঘটনার পর বিমানটির দুই ক্রু সদস্য জরুরি ইজেকশনের মাধ্যমে নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হন। পরে মার্কিন বিশেষ বাহিনী পৃথক উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনে। পেন্টাগনের তথ্যমতে, একজন ক্রুকে দ্রুত উদ্ধার করা গেলেও অন্যজনকে খুঁজে পেতে প্রায় দুই দিন সময় লাগে। এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের হাতে থাকা সম্ভাব্য সামরিক সরঞ্জামের উৎস এবং সেগুলোর সরবরাহপথ নিয়েও তদন্ত চলছে। তবে চীন এ ধরনের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে এবং এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে।


এদিকে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি অভিযোগ করেছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক নজরদারির ক্ষেত্রে ইরানকে কিছু চীনা স্যাটেলাইট সেবা সহায়তা দিয়ে থাকতে পারে। এ অভিযোগের জেরে কয়েকটি চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে। যদিও বেইজিং এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, Xi Jinping তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে চীন বর্তমানে ইরানে কোনো ধরনের মারাত্মক অস্ত্র সরবরাহ করছে না।


বিশ্লেষকদের মতে, যদি ভবিষ্যতে প্রমাণিত হয় যে সংঘাতে চীনা প্রযুক্তি বা অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে, তাহলে তা যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।


সূত্র: এনবিসি নিউজ

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯