যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও সামরিক অবকাঠামো দ্রুত পুনরুদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে

ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ফের সচল করছে ইরান, স্যাটেলাইট চিত্রে মিললো প্রমাণ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৩০ সময় , আপডেট সময় : ১ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৩০ সময়

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও সামরিক অবকাঠামো দ্রুত পুনরুদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। নতুন স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত সুড়ঙ্গ, প্রবেশপথ ও সামরিক সড়ক পুনর্নির্মাণে জোরালো তৎপরতা শুরু করেছে দেশটি। সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইরান বুলডোজার, ডাম্প ট্রাকসহ বিভিন্ন নির্মাণযন্ত্র ব্যবহার করে ধসে পড়া সুড়ঙ্গমুখ পরিষ্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো পুনরায় সচল করার কাজ করছে। এর ফলে দীর্ঘ-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরিবহন ও মোতায়েন সক্ষমতা দ্রুত ফিরিয়ে আনার পথে রয়েছে তেহরান।


গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের একাধিক ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির প্রবেশমুখ ধ্বংস হয়ে যায় এবং বেশ কিছু সুড়ঙ্গ আংশিকভাবে ধসে পড়ে। হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে প্রবেশ সীমিত করা এবং তাদের সামরিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা। তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, শুধু প্রবেশপথ বা বাঙ্কার ধ্বংস করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি পুরোপুরি অকার্যকর করা সম্ভব নয়। কারণ দেশটি দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি মেরামত করার পাশাপাশি এখনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ধরে রেখেছে।


বিশ্লেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘাত পুনরায় তীব্র হলে ইরান দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে। তাদের মতে, উৎক্ষেপণযন্ত্র ও প্রশিক্ষিত পরিচালনাকারী দল কার্যকর থাকলে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও বিদ্যমান মজুত ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। স্যাটেলাইট চিত্রে আরও দেখা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযান চলাচল ঠেকাতে যেসব সড়কে বোমা হামলা চালানো হয়েছিল, সেগুলোর অধিকাংশই ইতোমধ্যে মেরামত করা হয়েছে। হামলায় সৃষ্ট গর্তগুলো ভরাট করা হয়েছে এবং কয়েকটি স্থানে নতুন করে পিচঢালাইয়ের কাজও সম্পন্ন হয়েছে।


এদিকে, হরমুজ প্রণালির নিরাপদ নৌচলাচল ও উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের সমঝোতা হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে আরও সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর এ সংক্রান্ত বিশদ মূল্যায়ন প্রকাশ না করলেও তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে বিশ্বের যেকোনো স্থানে অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা মার্কিন বাহিনীর রয়েছে।


সূত্র: সিএনএন

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯