ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিন্দা ও প্রতিবাদ সত্ত্বেও বিভিন্ন দেশের অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত ছিল

গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলকে অস্ত্র জুগিয়েছে অন্তত ৫১ দেশ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৪ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১৪ সময় , আপডেট সময় : ২৪ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১৪ সময়

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিন্দা ও প্রতিবাদ সত্ত্বেও বিভিন্ন দেশের অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত ছিল বলে উঠে এসেছে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার দীর্ঘ অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে নেদারল্যান্ডসের হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)-এর সামনে গাজা যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ চললেও তখনও সংঘাত প্রায় ১০০ দিন ধরে অব্যাহত ছিল।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত চলা যুদ্ধবিরতির আগে গাজায় ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি আহত হন। এই পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলে বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। আল-জাজিরার অনুসন্ধানে ইসরায়েলের কর কর্তৃপক্ষের (ITA) আমদানি তথ্য, শুল্ক নথি ও তথ্য অধিকার আইনের ভিত্তিতে বলা হয়, আইসিজের নির্দেশনার পরও অন্তত ৫১টি দেশ ও অঞ্চল থেকে ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছাতে থাকে। এসব চালানের বড় অংশ ছিল গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক।


প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ইসরায়েলে ২,৬০৩টি সামরিক সরঞ্জাম চালান পাঠানো হয়, যার মোট মূল্য প্রায় ৮৮৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বড় অংশ আইসিজের রায়ের পরের সময়েই এসেছে। সরবরাহকারী শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রোমানিয়া, তাইওয়ান ও চেক প্রজাতন্ত্রের নাম উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র একাই মোট সরবরাহের ৪২ শতাংশের বেশি দিয়েছে, আর ভারতের অংশ প্রায় ২৬ শতাংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে আল-জাজিরা জানায়, গণহত্যার ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত থাকার পরও অস্ত্র সরবরাহ চালিয়ে যাওয়া দেশগুলো আইনি দায় এড়াতে পারবে না। তাদের মতে, গণহত্যা প্রতিরোধের বাধ্যবাধকতা কেবল চূড়ান্ত রায়ের পর নয়, ঝুঁকি শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়। লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের অধ্যাপক স্টিফেন হামফ্রেস ও ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ডের অধ্যাপক গেরহার্ড কেম্পের মতে, এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব আরও জোরালো হয়ে ওঠে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিভিন্ন দেশ প্রকাশ্যে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও বাস্তবে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ হয়নি।


সূত্র: আল জাজিরা

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯