রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার ঘটনায়

রাজধানীতে প্রবাসীর ৮ টুকরা মরদেহ উদ্ধার, উঠে এলো লোমহর্ষক তথ্য

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৯ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১৮ সময় , আপডেট সময় : ১৯ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১৮ সময়

রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। র‍্যাব-৩ জানিয়েছে, এ ঘটনায় হেলেনা বেগম (৪০) এবং তার ১৩ বছর বয়সী মেজো মেয়েকে নরসিংদী সদর উপজেলার নন্দরামপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে পরিচিত তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনা (৩১) এখনো পলাতক রয়েছেন।


সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর শাহজাহানপুরে র‍্যাব-৩ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন জানান, হত্যাকাণ্ডের পর মোকাররমের মরদেহ আট টুকরো করা হয়। এর মধ্যে সাতটি অংশ ভাড়াবাসার নিচে ময়লার স্তূপে এবং মাথার অংশ প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ফেলে দেওয়া হয়।


র‍্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পরকীয়া সম্পর্ক, অর্থনৈতিক বিরোধ এবং ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব কাজ করেছে। তদন্তে জানা যায়, সৌদি প্রবাসী মোকাররম ও একই এলাকার তাসলিমা আক্তারের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে অর্থ লেনদেন ও ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধ সৃষ্টি হয়।


র‍্যাব জানায়, ঘটনার দিন তীব্র বাগবিতণ্ডা ও উত্তেজনার পর পরিকল্পিতভাবে মোকাররমকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়। এরপর ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। পরে মরদেহ টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তরা স্বাভাবিক আচরণ করে বাইরে ঘুরে বেড়ানো এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


ঘটনাটি ১৭ মে প্রকাশ্যে আসে যখন দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে জানায়। পরে উদ্ধার করা মরদেহের অংশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং পরিচয় শনাক্ত করা হয়। র‍্যাব জানিয়েছে, পলাতক প্রধান আসামি তাসলিমাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯