চীনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর তাইওয়ান নিজেদেরকে ‘সার্বভৌম ও

ট্রাম্প সতর্ক করার পরও নিজেদের ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্র বলে দাবি তাইওয়ানে

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৭ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৭ সময় , আপডেট সময় : ১৭ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৭ সময়

চীনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর তাইওয়ান নিজেদেরকে ‘সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র’ হিসেবে দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে। এ নিয়ে চীন-যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ান ত্রিমুখী উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে। বেইজিংয়ে দুই দিনের বৈঠক শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ান ইস্যুতে তিনি কোনো পক্ষেই স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেননি। তিনি আরও বলেন, তাইওয়ানের কাছে ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন করা হবে কি না, তা শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়নি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, তাইওয়ানের আত্মরক্ষার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যদিও একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ‘এক চীন নীতি’র আওতায় বেইজিংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও বজায় রাখে।


তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে এর আগেই বলেছিলেন, আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার প্রয়োজন নেই, কারণ তাইওয়ান নিজেদেরকে ইতোমধ্যেই একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করে। শনিবার প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের মুখপাত্র ক্যারেন কুও বলেন, তাইওয়ান একটি ‘সার্বভৌম, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ’—এটি বাস্তবতা। তবে তিনি একই সঙ্গে জানান, বর্তমান অবস্থা বজায় রাখার নীতিতে তাইপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা বা একীভূতকরণ—কোনোটিই তারা চাইছে না।


এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না এবং তিনি চীনের সঙ্গে সংঘাত চান না। তার ভাষায়, “আমি চাই পরিস্থিতি শান্ত থাকুক, চীনও শান্ত থাকুক।” তিনি আরও বলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে শি জিনপিং অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছেন এবং স্বাধীনতা আন্দোলন তিনি মেনে নেবেন না।


সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন তাইওয়ানের আশপাশে সামরিক মহড়া বাড়িয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক কিন্তু ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং নিয়মিত অস্ত্র সহায়তাও দিয়ে আসছে। তাইওয়ান ইস্যুকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কৌশলগত অবস্থান এখন আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯