দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। এই ঈদে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর পশু কোরবানি ওয়াজিব। সামর্থ্য অনুযায়ী কেউ একা আবার কেউ শরিক হয়ে কোরবানি দিয়ে থাকেন। তবে শরিক কোরবানির ক্ষেত্রে রয়েছে নির্দিষ্ট শরিয়তসম্মত নিয়ম। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দিয়ে একজন ব্যক্তি একাই কোরবানি দিতে পারেন। এসব পশু একাধিক ব্যক্তি মিলে কোরবানি করা বৈধ নয়। অন্যদিকে উট, গরু ও মহিষে সর্বোচ্চ সাতজন পর্যন্ত শরিক হতে পারবেন। সাতজনের বেশি শরিক হলে কারও কোরবানিই শুদ্ধ হবে না।
ফিকহ গ্রন্থ অনুযায়ী, উট, গরু ও মহিষে দুই থেকে সাতজন পর্যন্ত শরিক হয়ে কোরবানি করা বৈধ। এমনকি দুই, তিন, চার, পাঁচ বা ছয়জন শরিক হলেও তা শরিয়তসম্মতভাবে গ্রহণযোগ্য। তবে প্রত্যেক শরিকের অংশ অবশ্যই এক-সপ্তমাংশের কম হওয়া যাবে না; এমন হলে কোরবানি শুদ্ধ হবে না। হাদিসে বর্ণিত আছে, হজরত জাবের (রা.) বলেন, “আমরা নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে হজ করেছি এবং তখন আমরা সাতজন করে একটি উট ও একটি গরুতে শরিক হয়ে কোরবানি করেছি।” (সহিহ মুসলিম: ১৩১৮)
ফিকহ গ্রন্থ ‘বাদায়েউস সানায়ে’ ও ‘হিন্দিয়া’-তে উল্লেখ আছে যে, শরিক কোরবানির ক্ষেত্রে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীর নির্ধারিত অংশ থাকা আবশ্যক এবং নির্দিষ্ট সীমার বাইরে গেলে কোরবানি গ্রহণযোগ্য হবে না।