ভারতের নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধী

১০ বছরে ৮৯ বার প্রশ্ন ফাঁস, মোদীকে রাহুল গান্ধীর আক্রমণ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১২ মে ২০২৬, দুপুর ২:২৩ সময় , আপডেট সময় : ১২ মে ২০২৬, দুপুর ২:২৩ সময়

ভারতের নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেছেন, নিট এখন আর সাধারণ পরীক্ষা নয়, বরং এটি “নিলামে পরিণত” হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, পরীক্ষার ৪২ ঘণ্টা আগেই হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন বিক্রির অভিযোগ উঠেছে, যা ২২ লাখ পরীক্ষার্থীর বিশ্বাসকে ধ্বংস করেছে। বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস এবং প্রকাশ করেছে দৈনিক ইত্তেফাক।


রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, গত ১০ বছরে ভারতে ৮৯ বার প্রশ্নফাঁস এবং ৪৮ বার পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তার ভাষায়, বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। এদিকে রাজস্থান পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি) পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করছে। তদন্তকারীরা একটি বিশেষ “গেজ পেপার” বা সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রের সন্ধান পেয়েছেন, যার প্রায় ১২০টি প্রশ্ন মূল পরীক্ষার রসায়ন অংশের প্রশ্নের সঙ্গে মিলে গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।


এসওজি’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক বিশাল বনসাল জানান, ওই নথি পরীক্ষার আগেই বাজারে ছড়িয়ে পড়েছিল কি না এবং এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাহুল গান্ধী এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, গরিব পরিবারের সন্তানদের স্বপ্ন নষ্ট করার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের চেয়ে বড় হুমকি আর নেই।


তবে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সংস্থাটি দাবি করেছে, ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট পরীক্ষা কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। প্রশ্নপত্র পরিবহনে জিপিএস ট্র্যাকিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর সিসিটিভি, বায়োমেট্রিক যাচাই এবং ৫জি জ্যামার ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানানো হয়। এনটিএ আরও জানিয়েছে, পরীক্ষার চার দিন পর তারা অনিয়ম সংক্রান্ত কিছু তথ্য হাতে পেয়েছে এবং সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলোকে অবহিত করেছে।


এদিকে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। রাজনৈতিক বিতর্ক, তদন্ত এবং প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের কারণে পুরো বিষয়টি দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।


সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, এনটিএ, রাজস্থান পুলিশ এসওজি

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯