গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস লেন দখল করে প্রতিদিন বসছে অবৈধ ভাসমান হাটবাজার। ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয়ের কাছেই শত শত দোকান গড়ে উঠলেও কার্যত কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। স্থানীয়দের দাবি, শুধু পল্লীবিদ্যুৎ এলাকাই নয়, মৌচাক, সফিপুর, চন্দ্রাসহ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও একইভাবে অবৈধ দোকান বসে গেছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এসব দোকান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সার্ভিস লেন ও ফুটপাত পুরোপুরি দখল করে গড়ে উঠেছে কাপড়, জুতা, খেলনা, খাবার, সবজি ও নিত্যপণ্যের দোকান। এতে পথচারীদের চলাচলের কোনো জায়গা নেই। বাধ্য হয়ে থ্রি-হুইলার, গার্মেন্টস শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ মূল সড়ক ব্যবহার করছেন, যা যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। স্থানীয়রা দ্রুত অবৈধ দোকান উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম ফখরুল হুসাইন বলেন, “মহাসড়ক দখল করে হাট বসানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।” অন্যদিকে নাওজোর হাইওয়ে থানার ওসি শওগাতুল আলম জানান, এর আগেও অভিযান চালানো হয়েছে এবং আবারও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে মহাসড়ক দখলমুক্ত করতে শিগগিরই অভিযান চালানো হবে। পাশাপাশি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।