বাংলাদেশ ফুটবলে সার্কভুক্ত খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নিয়ে চলমান বিতর্কে নতুন মোড় এসেছে। দেশি কোটায় সার্কের ফুটবলারদের খেলানোর বিরোধিতা করে গত ১৫ এপ্রিল বাফুফের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন একদল খেলোয়াড়। তাদের মতে, এ ধরনের সুযোগ অব্যাহত থাকলে দেশের উদীয়মান ফুটবলারদের বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও জাতীয় দলের ডিফেন্ডার রহমত মিয়াও। এই প্রেক্ষাপটে গতকাল বাফুফে ভবনে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলামের নেতৃত্বে ফুটবলারদের একটি প্রতিনিধি দল ফেডারেশনের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে বাফুফের সদস্য আমিরুল ইসলাম বাবু এবং সাখাওয়াত হোসেন ভুঁইয়া শাহিন উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে মামুনুল ইসলাম জানান, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখতে সার্কভুক্ত ফুটবলারদের অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখার পক্ষে তারা মত দিয়েছেন। তবে সংখ্যার সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, সার্ক থেকে দুইজন এবং বিদেশি কোটায় আরও দুইজন—মোট চারজন ফুটবলার রাখার বিষয়টি তারা বাফুফের কাছে তুলে ধরেছেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই ক্লাব, ফুটবলার ও ফেডারেশনের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকুক। তাই একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।”
অন্যদিকে বাফুফের সদস্য আমিরুল ইসলাম বাবু জানিয়েছেন, ফুটবলারদের প্রস্তাবটি ফেডারেশনের উচ্চপর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে। উল্লেখ্য, ১৫ এপ্রিলের প্রাথমিক দাবির পর বাফুফে বিষয়টি পর্যালোচনার উদ্যোগ নিলেও তার আগেই ফুটবলাররা নিজেদের অবস্থানে পরিবর্তন এনে সার্ক কোটার সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব দেন।