ঢাকা, ৯ এপ্রিল (ইত্তেফাক) – ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ সামনে রেখে ব্রাজিলের সুপারস্টার নেইমার গোপনে হাঁটুর অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। ৩৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড এই পদক্ষেপ নিয়েছেন তার ক্যারিয়ারের শেষ বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে পুরোপুরি ফিট থাকার লক্ষ্য নিয়ে। (সূত্র: সান্তোস ফুটবল ক্লাব, ২০২৬) নেইমারের এই চিকিৎসা রিজেনারেটিভ সার্জারি হিসেবে পরিচিত, যেখানে প্লেটলেট রিচ প্লাজমা (PRP) ব্যবহার করে জয়েন্ট টিস্যুকে শক্তিশালী করা হয়। এর ফলে দ্রুত ফিট হয়ে ওঠার সম্ভাবনা বাড়ে। ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক বিরতির সময় এই অপারেশন সম্পন্ন করেছেন তিনি, যাতে ক্লাবের সূচিতে কোনো প্রভাব না পড়ে এবং বিশ্বকাপের আগে গুরুত্বপূর্ণ সময় কাজে লাগানো যায়।
সান্তোসের কোচ কুকা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নেইমার আন্তর্জাতিক বিরতির সময় অপারেশন করিয়েছেন এবং কয়েক দিন অনুশীলনে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। কোচ আরও জানান, একটি বিশেষ ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুসরণ করতে হবে, যাতে শক্তি, গতি ও সহনশীলতা বৃদ্ধি পায়। এই কারণে নেইমার এখন দলের সঙ্গে পুরোপুরি ভ্রমণ করছেন না।
নেইমার জানেন যে কার্লো আনচেলত্তির পরিকল্পনায় আপাতত তিনি পিছিয়ে আছেন। ব্রাজিল কোচ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, শতভাগ ফিট না হলে কোনো খেলোয়াড়কে দলে নেওয়া হবে না। তাই নিজেকে আবারও সেরা অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য এই ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
তবে চ্যালেঞ্জ এখানেই শেষ নয়। চোটের ইতিহাস এবং ম্যাচ ফিটনেসের ঘাটতি এখনও বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান আশাব্যঞ্জক হলেও ধারাবাহিকতার প্রশ্ন থেকে যায়, যা বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্সের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।