মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিতে রাতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় ১৫ জন মার্কিন সেবা সদস্য আহত হয়েছেন, তবে আহতদের অধিকাংশের অবস্থা গুরুতর নয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁরা দায়িত্বে ফিরেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পেন্টাগন ও কুয়েত সরকার। হামলার দায় এবং নেপথ্য কারণ খতিয়ে দেখার জন্য তারা তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে সতর্কতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এদিকে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা লেবানন ও ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল জুড়ে ইসরায়েলি সেনা ও ট্যাংক লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটির মতে, দক্ষিণ লেবাননের আইনাতা ও মারকাবাহ শহরে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর রকেট ও আত্মঘাতী ড্রোনের সফল হামলা সম্পন্ন হয়েছে।
হিজবুল্লাহ আরও জানিয়েছে, ইসরায়েলের কিরিয়াত শমোনাং এবং সাসা শহরের ভেতর ও আশপাশে তারা নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদ করেছে। তবে এই হামলায় ইসরায়েলি পক্ষের ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।
উভয় ফ্রন্টে এই পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নাজুক ও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।