২৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে করা মামলায় খালাস পেয়েছেন শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক। রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার ১৪ নম্বর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদা আক্তার এ আদেশ দেন। তবে এই মামলায় খালাস পেলেও তার বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় আপাতত মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মো. লিটন মিয়া।
আইনজীবী জানান, রোববার আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার বাদীও উপস্থিত ছিলেন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আপস-মীমাংসা হয়। চার্জ গঠনের পর বাদী আদালতে জবানবন্দি দিয়ে আসামিকে নির্দোষ দাবি করেন। এর ভিত্তিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন। এর আগে মামলার বাদী খলিলুর রহমান আদালতে জবানবন্দি দিয়ে জানান, আপসের মাধ্যমে তিনি আসামির খালাসে আপত্তি নেই। আদালতের অফিস সহকারী সাইদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ভুক্তভোগীকে ঢাকার ধানমন্ডির একটি অফিসে ডেকে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে তার ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করা হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই মামলা দায়ের করা হয়। পরে একই বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকার নিকেতন এলাকা থেকে মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই আছেন।