দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একসঙ্গে দুই ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একদিকে ঝড়-বৃষ্টি, অন্যদিকে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহে অস্থির হয়ে উঠেছে জনজীবন। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শনিবার দুপুরের মধ্যে সিলেট অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে ওই এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৯টি জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাঙামাটি, চাঁদপুর, বরিশাল ও পটুয়াখালীসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলও রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় লঘুচাপের বর্ধিতাংশ এবং দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি লঘুচাপ সক্রিয় থাকায় দেশের আবহাওয়ায় এই বৈচিত্র্য তৈরি হয়েছে।
আগামী কয়েকদিনে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছে সংস্থাটি। শনিবার সন্ধ্যার পর সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এতে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
৫ এপ্রিল থেকে ঢাকাসহ খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। এতে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে।
৬ এপ্রিল থেকে বৃষ্টিপাতের বিস্তার আরও বাড়তে পারে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ রংপুর ও রাজশাহীর কিছু এলাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
৭ এপ্রিলের দিকে দেশের প্রায় সব বিভাগেই বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা তৈরি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে।
আগামী পাঁচ দিনে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি ধাপে ধাপে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।