গাইবান্ধায় হামের উপসর্গ নিয়ে কয়েকজন শিশুর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মোট ছয়জন শিশু আক্রান্তের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে, যার মধ্যে বর্তমানে চারজন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে এবং দুইজন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। জেলা ইপিআই বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত শিশুদের গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সাঘাটা উপজেলায় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে দুইজন এবং সুন্দরগঞ্জে দুইজন শিশু চিকিৎসাধীন আছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্ত শিশুদের আলাদা কক্ষে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে। তাদের শরীরে হামের লক্ষণ স্পষ্ট থাকলেও নিশ্চিত হওয়ার জন্য রক্তের নমুনা ঢাকায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেতে কিছুটা সময় লাগবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি বা র্যাশ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে আক্রান্ত শিশুকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা প্রয়োজন, বিশেষ করে স্কুলগামী শিশুদের ক্ষেত্রে সতর্কতা আরও বেশি দরকার।
জেলা সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই। তবে প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়—এই বিষয়টি আবারও জোর দিয়ে বলা হয়েছে।