মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার হচ্ছে। দেশটির সেনাবাহিনীর অভিজাত ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের হাজার হাজার সদস্য ইতোমধ্যে ওই

মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে হাজার হাজার মার্কিন প্যারাট্রুপার

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৩১ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৩২ সময় , আপডেট সময় : ৩১ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৩২ সময়

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার হচ্ছে। দেশটির সেনাবাহিনীর অভিজাত ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের হাজার হাজার সদস্য ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে পৌঁছাতে শুরু করেছেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক পরিস্থিতির পরবর্তী পদক্ষেপ মূল্যায়নের মধ্যেই এই সেনা মোতায়েনের গতি বাড়িয়েছেন। এর আগে থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল, যা এখন বাস্তবায়নের পথে। নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগ থেকে আসা এই প্যারাট্রুপাররা মূলত আগে থেকেই মোতায়েন থাকা মার্কিন নৌ, মেরিন ও বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। গত সপ্তাহেই প্রায় ২,৫০০ মেরিন সেনা ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।


সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন করে পাঠানো এই বাহিনীতে ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, লজিস্টিক সাপোর্ট ইউনিট এবং একটি ব্রিগেড কমব্যাট টিম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে তারা ঠিক কোথায় অবস্থান নেবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও ইরানে সরাসরি স্থল অভিযান চালানোর বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে এই সেনা সমাবেশ ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খার্গ দ্বীপকে লক্ষ্য করে কোনো অভিযান পরিচালিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


এদিকে যুদ্ধ শুরুর এক মাস পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় ধরনের স্থল অভিযান শুরু হলে তা শুধু ইরান নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলে আসছেন, তবুও এই বিশাল সেনা সমাবেশ সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।


বর্তমানে বিশ্ব সম্প্রদায় পরিস্থিতির দিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।


সূত্র: টাইমস অফ ইসরায়েল

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯