মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় দেশে তেল নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। এতে আতঙ্কে

জ্বালানি তেল বিক্রিতে আজ থেকে রেশনিং থাকছে না, প্রয়োজনমতো কিনতে পারবেন সবাই

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৫ মার্চ ২০২৬, দুপুর ২:৩৯ সময় , আপডেট সময় : ১৫ মার্চ ২০২৬, দুপুর ২:৩৯ সময়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় দেশে তেল নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। এতে আতঙ্কে স্বাভাবিক চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ হারে জ্বালানি তেল কেনা শুরু করেন অনেকেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সাময়িকভাবে তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করেছিল। তবে ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমানো এবং সেচ মৌসুমে ডিজেলের চাহিদা পূরণের কথা বিবেচনায় নিয়ে সেই সীমা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে আর কোনো রেশনিং থাকছে না। এখন সবাই প্রয়োজন অনুযায়ী তেল কিনতে পারবেন।


তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সংকট এড়াতে বিভিন্ন দেশ ও বন্ধুরাষ্ট্রের সঙ্গে আমদানি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর আগে অস্বাভাবিক বিক্রি ঠেকাতে ৬ মার্চ থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহে সীমা আরোপ করা হয়। প্রথমে মোটরসাইকেলের জন্য সর্বোচ্চ ২ লিটার তেল দেওয়ার নিয়ম থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়। একই সঙ্গে ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহও সাময়িকভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এদিকে সরবরাহ সীমিত থাকায় বিভিন্ন স্থানে ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়। চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ার অভিযোগ তুলে স্টেশন মালিকরাও সরবরাহ বাড়ানোর দাবি জানান। খুলনায় একপর্যায়ে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখার ঘটনাও ঘটে এবং রাজশাহীতেও একই ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।


বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে মোট ১৮টি জাহাজে জ্বালানি তেল দেশে আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ১৪ মার্চ পর্যন্ত ৬টি জাহাজ এসেছে এবং ২৭ মার্চের মধ্যে আরও ৬টি জাহাজ আসার সময়সূচি রয়েছে। প্রতিটি জাহাজে সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ হাজার টন তেল বহন করা হয়। বিপিসি জানায়, দেশে বর্তমানে প্রায় দুই লাখ টন ডিজেল মজুত রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেলও রয়েছে। অকটেন ও পেট্রলের মজুত রয়েছে প্রায় ১৬ হাজার টন করে। দেশে পেট্রল সম্পূর্ণভাবে উৎপাদিত হলেও অকটেনের প্রায় অর্ধেক আমদানি করতে হয়। জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ৬৫ শতাংশই ডিজেল হওয়ায় মূল উদ্বেগ ডিজেল নিয়েই।


জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, জুন পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি কেনার চুক্তি রয়েছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় বিকল্প উৎস থেকে তেল আমদানির বিষয়েও আলোচনা চলছে। চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত সরবরাহের জন্য ভারতকেও ইতিমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯