ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দক্ষিণ

গ্যাসের লাইনে কনের বাবা, বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় বহু তরুণ-তরুণী

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৪ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময় , আপডেট সময় : ১৪ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময়

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও, বিশেষ করে ভারতে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনৌ শহরের বাসিন্দা সালোনি জানান, তার বিয়ের দিনেই পরিবার ও আত্মীয়দের আনন্দ করার বদলে গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি তিনি কল্পনাও করেননি। ভারতের তামিলনাডু রাজ্যের ম্যারেজ হল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, মার্চ ও এপ্রিল মাসে সেখানে প্রায় ২০ হাজার বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। এসব অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় ২ লাখ গ্যাস সিলিন্ডার প্রয়োজন। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।


শুধু এই দুই শহর নয়, দেশজুড়েই বাণিজ্যিক গ্যাস সংকটের কারণে অনেক দম্পতিকে বিয়ের অনুষ্ঠান পিছিয়ে দিতে হচ্ছে বলে জানা গেছে। পশ্চিমবঙ্গেও একই ধরনের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। কলকাতার বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও ছোট দোকানগুলোতে গ্যাসের ঘাটতির কারণে অনেকেই বিকল্প হিসেবে কয়লার চুলা ব্যবহার শুরু করেছেন। কলকাতার অফিসপাড়ার ডেকার্স লেনের বেশ কিছু খাবারের দোকান ইতিমধ্যে কয়লার আগুনে রান্না করছে। এদিকে, গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে মিষ্টির দোকানেও। কলকাতার অনেক নামী মিষ্টির দোকান সীমিত পরিমাণে উৎপাদন করছে। বর্ধমানের একটি দোকান বিখ্যাত মিহিদানা তৈরি আপাতত বন্ধ রেখেছে। চন্দননগরের ঐতিহ্যবাহী জলভরা সন্দেশ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানও উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে।


ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে উৎপাদন আরও কমাতে হবে এবং অনেক ক্ষেত্রে ডিজেল বা কেরোসিনচালিত চুলা ব্যবহার করতে হতে পারে। তবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, ঘরোয়া গ্যাস সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা বলেন, মানুষ আতঙ্ক থেকে অতিরিক্ত গ্যাস বুকিং করছে, যা ‘প্যানিক বাইং’-এর প্রতিফলন।


সরকার জানিয়েছে, ঘরোয়া গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে বুকিংয়ের ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতাল, স্কুল, আইসিডিএস কেন্দ্র ও গৃহস্থালিকে গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯