ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অতর্কিত হামলা বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) পর্যন্ত ১৩ দিনে পৌঁছেছে। এই হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছে হাজারের বেশি মানুষ। তবে, এসব হামলার পরেও ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনও সুসংহত রয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোনো ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ইরানি শাসনব্যবস্থার বিপদে না পড়ার বিষয়ে একই ধরনের বিশ্লেষণ উঠে এসেছে। ইরানি নেতৃত্ব জনগণের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম। বিশেষ করে, ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার মধ্যে যে সংহতি রয়েছে, তা হামলার পরও দৃশ্যমান।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পরও দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বে কোনও বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি। ইসরায়েলি কর্মকর্তারাও রুদ্ধদ্বার বৈঠকে স্বীকার করেছেন যে, এই যুদ্ধের ফলে ইরানের ধর্মীয় সরকারের পতন ঘটবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
তবে, যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো উল্লেখ করেছে। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন, কিন্তু ইসরায়েল মনে করছে, ওয়াশিংটন এখনও যুদ্ধ বন্ধের কোনো নির্দেশ দেয়নি।