ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন, এ ঘটনার পর

মিত্রদের পতনে পুতিন কখনও সরব, কখনও নিশ্চুপ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১২ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:২০ সময় , আপডেট সময় : ১২ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:২০ সময়

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন, এ ঘটনার পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এটিকে একটি 'হত্যাকাণ্ড' এবং 'মানবিক নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক আইনের নির্লজ্জ লঙ্ঘন' হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে, তিনি নির্দিষ্ট করে হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করেননি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে কোনো সরাসরি মন্তব্য করতে না চাইলেও, তিনি এর কোনো বিস্তারিত উল্লেখ করেননি। তার শোকবার্তা ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে পাঠানো হলেও, এতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের নাম উল্লেখ হয়নি। পুতিনের মন্ত্রিসভা এবং সরকার পক্ষের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া আসেনি।


রাশিয়া ও ইরান ২০২৫ সালে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করলেও, এই চুক্তির আওতায় মস্কো ইরানকে সামরিক সহায়তা দিতে বাধ্য নয়। পুতিন আগেও মার্কিন আগ্রাসনের সমালোচনা করেছিলেন, তবে খামেনির হত্যাকাণ্ডের পর তার প্রতিক্রিয়া ছিল অনেকটাই নীরব। বিশেষ করে ২০২০ সালে কাসেম সোলাইমানি হত্যার পরও পুতিনের মন্তব্য ছিল তুলনামূলকভাবে দুর্বল।


বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পুতিনের নীরবতা তার পরিস্থিতির দুর্বলতার চিহ্ন হতে পারে, কারণ ক্রেমলিনের রাজনৈতিক ভাষ্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সরাসরি আক্রমণ করার মতো অবস্থানে নেই। এই নীরবতা তার সামরিক পদক্ষেপের অকার্যকারিতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। এদিকে, একের পর এক তার মিত্রদের পতন ও সামরিক পদক্ষেপের সীমাবদ্ধতা পুতিনকে কঠিন অবস্থানে ফেলেছে, বিশেষ করে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯