জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের উপপরিদর্শক শাহেদ জোবায়ের লরেন্স। রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চে তার সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। এ সময় প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ ও সহিদুল ইসলাম সরদার উপস্থিত ছিলেন।
এদিন মামলার ৯ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শাহেদ জোবায়ের লরেন্স। তিনি তদন্তে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন আলামতের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত বিষয় ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পলাতক আসামিদের পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। এই মামলার অন্য পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ওই দিন প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আসিফ ইকবালের বাবা এম এ রাজ্জাক। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ এলাকায় সংঘটিত ঘটনায় তার ছেলে নিহত হন বলে আদালতে উল্লেখ করা হয়।