সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, শক্তিশালী গোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা করলে

শক্তিশালী প্লেয়ারদের সঙ্গে সমঝোতা করলে খুব আরামে থাকা যেতো: আসিফ মাহমুদ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৭ মার্চ ২০২৬, দুপুর ৩:২৫ সময় , আপডেট সময় : ৭ মার্চ ২০২৬, দুপুর ৩:২৫ সময়

সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, শক্তিশালী গোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা করলে তিনি অনেক আরামে থাকতে পারতেন, কিন্তু নীতির প্রশ্নে তিনি আপস করেননি। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক ভালো মানুষও শেষ পর্যন্ত খারাপ হয়ে যায় শক্তিধর গোষ্ঠীর চাপের কারণে। তাদের সঙ্গে সমঝোতা না করলে রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।


পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, যদি তিনি সরকারের সিদ্ধান্ত ও আইনি জটিলতা উপেক্ষা করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে শপথ গ্রহণের বিষয়টি মেনে নিতেন, অথবা বিতর্কিত ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনতেন, তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। একইভাবে বিভিন্ন আন্দোলনের শহীদদের স্বীকৃতি দেওয়া বা কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিরোধিতা না করলেও অনেক চাপ এড়ানো সম্ভব হতো বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।


আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, সমঝোতা না করায় তার আশপাশের লোকজনও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, তার এক সহযোগীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১১ মাস তদন্ত চালানোর পর দুর্নীতি দমন কমিশন কোনো প্রমাণ না পেয়ে মামলা নিষ্পত্তি করেছে। অথচ এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সংবাদ ও প্রচারণার মাধ্যমে তার পরিবারকে মানসিকভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমের ধারাবাহিক চাপের কারণে ওই ব্যক্তি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছেন বলে পরিবার ও বন্ধুদের কাছ থেকে জানতে পেরেছেন। পোস্টে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মামলার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তার দাবি, গণমাধ্যমে তৈরি করা এক ধরনের প্রচারণার মাধ্যমে তাকে কারাবন্দি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান না ঘটলে হয়তো বন্দি অবস্থাতেই তাকে হারাতে হতো।


আসিফ মাহমুদ বলেন, যখন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি উপায়ে প্রমাণ পাওয়া যায় না, তখন অনেক সময় ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ বা ধারাবাহিক প্রচারণার মাধ্যমে একটি ধারণা তৈরি করা হয়। ফলে বারবার প্রচারিত সেই অভিযোগই মানুষের কাছে সত্য বলে মনে হতে শুরু করে এবং তা দিয়ে কাউকে দমন করার সুযোগ তৈরি হয়।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯