বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টন ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

দেশে মজুত ডিজেল, পেট্রল ও অকটেন কতদিন চলবে?

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৭ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৩৭ সময় , আপডেট সময় : ৭ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৩৭ সময়

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টন ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটি বলছে, পরিশোধিত জ্বালানিতে এই মুহূর্তে কোনো তাত্ক্ষণিক সংকট নেই, তবে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার কারণে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ছে এবং সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদার প্রায় পুরোটা আমদানির ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। বাকি প্রায় ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল আমদানি করা হয় ভারত, চীন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে।


বিপিসির হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে মজুত ডিজেল দিয়ে প্রায় ১১ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব। পেট্রল দিয়ে প্রায় ১২ দিন এবং অকটেন দিয়ে প্রায় ২৫ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানিয়েছেন, প্রিমিয়াম তেলের দাম জুন পর্যন্ত নির্ধারিত থাকায় বিশ্ববাজারের ওঠানামার তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ছে না। তবে বিকল্প উৎস থেকে তেল আমদানি এবং নতুন ক্রয় পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এদিকে দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) জানিয়েছে, বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৬০ লাখ টন এলএনজি আমদানি করে। এর মধ্যে ৪০ লাখ টন আসে কাতার থেকে, বাকিটা আসে ওমান ও স্পট মার্কেট থেকে।


ইরানের হামলার পর কাতারে গ্যাস উৎপাদন আংশিকভাবে স্থগিত হওয়ায় শিল্প ও কৃষি খাতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে এলপিজি সরবরাহেও ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। দেশে বছরে প্রায় ১৪ লাখ টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে, যার পুরোটা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প উৎস থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির উদ্যোগ দ্রুত নেওয়া প্রয়োজন। সিপিডির ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রয়োজনে স্পট মার্কেট থেকে বেশি দামে হলেও জ্বালানি সংগ্রহ করতে হবে এবং উৎস বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে হবে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯