ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর এক সপ্তাহ না পেরোতেই মার্কিন বাহিনীর অস্ত্র মজুত নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পেন্টাগনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে কোন লক্ষ্যবস্তু আগে রক্ষা করা হবে তা নির্ধারণে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ইরানের দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ প্যাট্রিয়ট, থাড এবং টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এদিকে ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। বাহারাইন, কুয়েত, ইরাক, ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই সংঘাতে কুয়েতে এক ড্রোন হামলায় অন্তত ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত অস্ত্র ব্যয়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্র এখন কৌশলগত চাপে পড়তে পারে। সীমিত অস্ত্র মজুত নিয়ে দীর্ঘ সময় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া পেন্টাগনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।