মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের প্রভাব এবার বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে। সৌদি আরব ও কাতারে ইরানের হামলার কারণে

জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প খুঁজছে সরকার

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৫ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৩৮ সময় , আপডেট সময় : ৫ মার্চ ২০২৬, সকাল ৯:৩৮ সময়

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের প্রভাব এবার বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে। সৌদি আরব ও কাতারে ইরানের হামলার কারণে দেশ দুটি সাময়িকভাবে এলএনজি উৎপাদন এবং তেল শোধনের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের জ্বালানির বড় অংশই আসে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান থেকে। এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের জ্বালানি খাতে। স্পট মার্কেটেও বর্তমানে এলএনজি পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতিমধ্যে গ্যাস সরবরাহে রেশনিং শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহেও নির্ধারিত সময় অনুযায়ী লোডশেডিং চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, বর্তমান সংকট ঈদের ছুটি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


সরকার জনগণকে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো, আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা এবং ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় ডিজেল পাচার ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সীমান্ত অঞ্চলে জ্বালানি বিক্রিতেও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হতে পারে।


বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘ হলে বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারে চাপ আরও বাড়তে পারে। তাই এখন সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনাই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার প্রধান উপায়।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯