জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে হাইকোর্টে। এ বিষয়ে কেন এসব অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। পাশাপাশি আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। অন্যদিকে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং গাজী কামরুল ইসলাম সজলসহ অন্যান্য আইনজীবীরা। এর আগে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিল এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথকে অবৈধ ঘোষণার দাবি জানিয়ে পৃথক দুটি রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম এই রিট করেন।
এছাড়া গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জনস্বার্থে আরেকটি রিট দায়ের করা হয়, যেখানে জুলাই জাতীয় সনদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা এবং এর কার্যকারিতা স্থগিত করার আবেদন জানানো হয়। ওই রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, সংবিধান ও প্রশাসনিক কাঠামো সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এই ইস্যু এখন আদালতের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। হাইকোর্টের রুলের পর বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।