ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে দীর্ঘ সময় ধরে নজরদারি চালানো হয়েছে বলে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে

খামেনির উপর নজর রাখতে ট্রাফিক ক্যামেরা, মোবাইল হ্যাক করেছিল ইসরায়েল

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৩ মার্চ ২০২৬, দুপুর ১০:৪ সময় , আপডেট সময় : ৩ মার্চ ২০২৬, দুপুর ১০:৪ সময়

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে দীর্ঘ সময় ধরে নজরদারি চালানো হয়েছে বলে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা ও মোবাইল নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে তার চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হয়। ব্রিটিশ গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বর্তমান ও সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাতে উল্লেখ করা হয়, তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর আশপাশের ক্যামেরা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করা হতো। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা বাহিনীর চলাচল, রুটিন এবং অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা তৈরি করা হয়।


বিশেষ করে খামেনির কম্পাউন্ডের আশপাশের এলাকা থেকে নিরাপত্তা দলের যানবাহন ও রুটিন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ‘প্যাটার্ন অফ লাইফ’ বিশ্লেষণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দৈনন্দিন কার্যক্রমের একটি বিস্তৃত ডাটাবেস তৈরি করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণে উন্নত প্রযুক্তি ও জটিল অ্যালগরিদম ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে। এছাড়া হামলার আগে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটানোর বিষয়টিও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে দ্রুত সতর্কতা পৌঁছানো ব্যাহত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হামলার দিন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নজরদারি ব্যবস্থার তথ্যের ওপর নির্ভর করা হয়েছিল। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সূত্র থেকেও কিছু তথ্য যাচাই করা হয় বলে উল্লেখ রয়েছে।


সব মিলিয়ে, আধুনিক প্রযুক্তি ও সাইবার নজরদারির মাধ্যমে পরিচালিত এই ধরনের কার্যক্রম সামরিক ও কৌশলগত বাস্তবতায় নতুন মাত্রা যোগ করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯