বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে ঘিরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে অস্থিরতা ও অসন্তোষের চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। প্রশাসনিক অনিয়ম, আর্থিক বিধি লঙ্ঘন, স্বার্থের সংঘাতসহ নানা অভিযোগ তুলে তার কর্মকাণ্ডের তদন্ত দাবি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল। কাউন্সিলের অভিযোগ অনুযায়ী, গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নীতিমালা উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও সুশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে ঘিরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে অস্থিরতা ও অসন্তোষের চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। প্রশাসনিক অনিয়ম, আর্থিক বিধি লঙ্ঘন, স্বার্থের সংঘাতসহ নানা অভিযোগ তুলে তার কর্মকাণ্ডের তদন্ত দাবি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল। কাউন্সিলের অভিযোগ অনুযায়ী, গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নীতিমালা উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও সুশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ ও তা অননুমোদিতভাবে বাইরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। অভিযোগে বলা হয়েছে, ফ্রিজকৃত ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য নিয়মিতভাবে গভর্নর দপ্তরে পাঠানো হলেও তা সংরক্ষণের নির্ধারিত বিধান মানা হয়নি। এছাড়া সরকারি নিয়মের বাইরে গিয়ে একাধিক গাড়ি ব্যবহার, বিলাসবহুল গাড়ি কেনায় অনিয়ম, দরপত্র প্রক্রিয়া উপেক্ষা এবং অতিরিক্ত ব্যয় সংক্রান্ত অভিযোগও উঠেছে। একই সঙ্গে গভর্নরের একান্ত সচিবের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূত ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।
ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স প্রদানেও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ তুলেছে কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে আইনগত সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করা হয়েছে, যদিও পরবর্তীতে বোর্ড সভায় আপত্তির মুখে বিষয়টি স্থগিত হয়। এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিএসআর তহবিল ব্যবহারে স্বচ্ছতা না থাকা, চিকিৎসা সুবিধার অপব্যবহার এবং বোর্ড অনুমোদন ছাড়াই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার মতো অভিযোগও উঠে এসেছে।
প্রশাসনিক পরিবেশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কর্মকর্তারা। তারা অভিযোগ করেন, গভর্নর দপ্তরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের স্বাভাবিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং পদোন্নতি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অচলাবস্থা তৈরি হয়। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকা সত্ত্বেও তা পূরণে উদ্যোগ না নেওয়ায় অসন্তোষ আরও বেড়ে যায়। পরিস্থিতির চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে গভর্নরের বিদায়ের সময়, যখন কিছু কর্মকর্তা তার প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বিতর্ক আর্থিক খাতে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। তারা মনে করছেন, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানটির সুশাসন ও বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরের এই পরিস্থিতি আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে—ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই অর্থনীতির স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি।সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ ও তা অননুমোদিতভাবে বাইরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। অভিযোগে বলা হয়েছে, ফ্রিজকৃত ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য নিয়মিতভাবে গভর্নর দপ্তরে পাঠানো হলেও তা সংরক্ষণের নির্ধারিত বিধান মানা হয়নি।
এছাড়া সরকারি নিয়মের বাইরে গিয়ে একাধিক গাড়ি ব্যবহার, বিলাসবহুল গাড়ি কেনায় অনিয়ম, দরপত্র প্রক্রিয়া উপেক্ষা এবং অতিরিক্ত ব্যয় সংক্রান্ত অভিযোগও উঠেছে। একই সঙ্গে গভর্নরের একান্ত সচিবের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূত ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স প্রদানেও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ তুলেছে কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে আইনগত সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করা হয়েছে, যদিও পরবর্তীতে বোর্ড সভায় আপত্তির মুখে বিষয়টি স্থগিত হয়।
এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিএসআর তহবিল ব্যবহারে স্বচ্ছতা না থাকা, চিকিৎসা সুবিধার অপব্যবহার এবং বোর্ড অনুমোদন ছাড়াই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার মতো অভিযোগও উঠে এসেছে।প্রশাসনিক পরিবেশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কর্মকর্তারা। তারা অভিযোগ করেন, গভর্নর দপ্তরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের স্বাভাবিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং পদোন্নতি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অচলাবস্থা তৈরি হয়। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকা সত্ত্বেও তা পূরণে উদ্যোগ না নেওয়ায় অসন্তোষ আরও বেড়ে যায়।
পরিস্থিতির চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে গভর্নরের বিদায়ের সময়, যখন কিছু কর্মকর্তা তার প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান বলে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বিতর্ক আর্থিক খাতে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। তারা মনে করছেন, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানটির সুশাসন ও বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরের এই পরিস্থিতি আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে—ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই অর্থনীতির স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি।