মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষিতে নিরাপত্তাজনিত কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ অন্যান্য এয়ারলাইনসগুলোর ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের আটকে পড়া অবস্থা নিয়ে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যা একাধিক আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের বাতিল এবং বিলম্বের দিকে পরিচালিত করেছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) শনিবার সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করে আটকে পড়া যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের জন্য থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। মন্ত্রী জানান, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সতর্ক করে জানিয়ে দিয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ না করে বিমানবন্দরে যাওয়া উচিত নয়।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের গন্তব্যগুলোতে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হওয়া এখনও অনিশ্চিত। যুদ্ধ পরিস্থিতি পরিপ্রেক্ষিতে, এই অঞ্চলের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে, যার ফলে বেশ কিছু দেশি ও বিদেশি ফ্লাইটের সময়সূচী বিলম্বিত বা বাতিল করা হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের দাম্মাম, জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ, শারজাহ, আবুধাবি, দুবাই, কুয়েতের সব ফ্লাইট স্থগিত থাকবে। কিছু যাত্রী এই ফ্লাইটে আটকা পড়েছেন, তাদেরও জানানো হয়েছে যে, ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ার পর তাদের যাত্রা ব্যবস্থা করা হবে। এদিকে, পাকিস্তানের ক্রিকেট তারকা মুশফিকুর রহিমও সৌদি আরব থেকে ঢাকা ফেরার পথে জেদ্দা বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন। ফ্লাইট বাতিলের কারণে তারও ফেরার প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে।
বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থায় আরও চরম বিপদের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।